‘সিলেট থান্ডার্স’-এ দর্শক মুখর মাঠ

প্রকাশিত: ৮:১৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২, ২০২০

‘সিলেট থান্ডার্স’-এ দর্শক মুখর মাঠ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সিলেট থান্ডার্স ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। আসরে মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে সিলটে। প্লে অফের আশা নেই বলেই চলে। তারপরও নিজেদের ভাগ্য ফেরাতে মরিয়া দলটি। অলৌকিক কিছু দেখার আশায় মাঠে অপেক্ষমান দর্শরাও। অন্যদিকে, ছাড় দিতে নারাজ কুমিল্লাও। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দু’দলের ম্যাচটি শুরু হয় বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে।

 

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে স্বাগতিকরা। সিলেট থান্ডার্সের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত
নেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। ৮ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে কুমিল্লার তবু শেষ চারের আশা বেঁচে রয়েছে। সিলেটের সেটিও নেই। সমান ম্যাচে যে তারা জয় পেরেছে মাত্র ১টিতে।

 

প্রথম দিকে মাঠে দর্শক খরা থাকলেও সিলেট থান্ডার্সের জয় দেখতে কানায় কানায় ভরে যায় সিলেটের মাঠ। দর্শকরা বরাবরের মত এবারও আশা রাখছেন জনসন চার্লসের মত তারকার উপর। মোসাদ্দেক গত ম্যাচগুলোতে নিজেকে খুব একটা মেলে ধরতে না পারলেও জনসন চার্লস মাঝে মাঝে জ্বলে উঠছেন। বল হাতে আট ম্যাচে এবাদতের উইকেট আটটি। স্যান্টোকির ৭টি। ক্রিকেটারদের ফর্ম হীনতায় হতাশ কোচ হার্শেল গিবস। তারপরও জয়ের চেয়ে ভাল খেলার দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন গিবস।

 

তিনি বলেন, যখন প্লেয়ার ড্রাফট হয় তখন আমি ছিলাম না। তাই দল নির্বাচনে আমার ভূমিকা ছিল না। কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি। কোনোভাবেই দলকে জয়ে ফেরাতে পারছিনা। শেষ ম্যাচগুলোতে ভাল করতে চাই আমরা। সিলেটের দর্শকদের সমর্থন থাকবে আমাদের সঙ্গেই। চাপমুক্ত থেকে স্বাভাবি খেলাটা খেলতে চাই আমরা।

 

দিনের প্রথম খেলায় দর্শকশূন্য ছিল ১৮ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার বেশিরভাগ আসন। বিশেষ করে মাঠের পশ্চিম গ্যালারি ও গ্রিন গ্যালারিতে কিছু দর্শক দেখা গেলেও কার্যত শূন্য ছিল ইস্টার্ণ ও নর্দান (ভিআইপি) গ্যালারি। মাঠের বাইরেও ফটকে ভিড় ছিল নানা। তবে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা আসতে না আসতেই প্রবেশ গেইটগুলোতে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে। ছিল খেলা দেখার প্রবল আগ্রহও। সেই আগ্রহের প্রতিফলন পড়লো গ্যালারিতেও। সন্ধ্যার পরপর গ্যালারির বেশির ভাগ অংশেই দর্শকদের সমাগম শুরু হয়।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার স্টেডিয়ামটিতে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে আসন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগে এ স্টেডিয়ামে আসন সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার ৫৩৩টি। বর্তমানে স্টেডিয়ামের পূর্ব দিকের গ্যালারি দ্বিতল করা হয়েছে। এ নতুন গ্যালারিতে আসন সংখ্যা থাকছে তিন হাজার ৬৬০টি। ৬১৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪৮৫ ফুট প্রস্থের স্টেডিয়ামে সবমিলিয়ে আসন সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৭ হাজার ১৯৩টি।

 

সিলেটের টিম খারাপ করায় দর্শকদের জন্য একটু হতাশা। এছাড়া অন্য বছর বিশ্বের বিভিন্ন বড়বড় খেলোয়াড়রা এলেও কোন কারণে এবার তারা আসতে পারেন নি। তারও একটা প্রভাব থাকতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্ট।

 

কুমিল্লা একাদশ
সৌম্য সরকার (অধিনায়ক), উপুল থারাঙ্গা, স্টিয়ান ফন জিল, ইয়াসির আলি, সাব্বির রহমান, ডেভিড উইজ, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, সানজামুল ইসলাম, আবু হায়দার, মুজিব উর রহমান, আল আমিন হোসেন।

 

সিলেট একাদশ
আন্দ্রে ফ্লেচার (অধিনায়ক), জনসন চার্লস, মোহাম্মদ মিঠুন, রনি তালুকদার, শেরফান রাদারফোর্ড, নাজমুল হোসেন মিলন, সোহাগ গাজী, নাইম হাসান, মনির হোসেন, নাভিন উল হক, এবাদত হোসেন।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম