বিমান দুর্ঘটনায় আহত ১০ জন মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরলেন

প্রকাশিত: ৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ, মে ১১, ২০১৯

বিমান দুর্ঘটনায় আহত ১০ জন মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরলেন

সোনালী সিলেট ডেস্ক ::: মিয়ানমারে দুর্ঘটনাকবলিত বিমানের পাইলট ও যাত্রীসহ দশজন দেশে ফিরেছেন।

শুক্রবার রাত পৌনে ১১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ইয়াঙ্গুন থেকে তাদের নিয়ে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

তাদের মধ্যে চারজন দুর্ঘটনায় পড়া বিমানের যাত্রী ছিলেন। এছাড়া ড্যাশ ৮-কিউ ৪০০ উড়োজাহাজটির দুই পাইলট এবং দুইজন কেবিন ক্রু এবং দুই গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ফিরেছেন তাদের সঙ্গে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, সচিব মো. মহিবুল হক, অতিরিক্ত সচিব মোকাব্বির হোসেন, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল বিমানবন্দরে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের খোঁজ খবর নেন।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, আহতদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পাইলটকে নেওয়া হয়েছে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। এছাড়া একজন অন্য একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন। বাকিরা নিজেদের ইচ্ছায় বাসায় চলে গেছেন।

প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আহতদের সাথে কথা বলেছি। তাদের যে কোনো ধরনের চিকিৎসার ভার বিমান বহন করবে।

প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে ২৯ জন যাত্রী, চারজন ক্রু ও দুজন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারসহ মোট ৩৫ জন আরোহী নিয়ে বুধবার বিকালে মিয়ানমারের পথে রওনা হয়েছিল বিমানের ফ্লাইট বিজি ০৬০। কিন্তু ইয়াঙ্গুনে নামার সময় উড়োজাহাজটি বজ্রঝড়ের কবলে পড়ে এবং অবতরণের পর রানওয়ে থেকে ছিটকে যায়।

বিমানের আরোহীদের সবাই ওই দুর্ঘটনায় কমবেশি আঘাত পান, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানের ড্যাশ ৮-কিউ৪০০ উড়োজাহাজটি। আরোহীদের মধ্যে ১৮ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল ইয়াঙ্গুনের দুটি হাসপাতালে। শুক্রবার তাদের সবাইকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসকরা।

আহত যাত্রীদের মধ্যে অনেকে মিয়ানমারে চাকরি বা ব্যবসা করেন। তারা সেখানেই থেকে গেছেন বলে শাকিল মেরাজ জানান।

ওই উড়োজাহাজের ২৯ যাত্রীর মধ্যে ১৫ জন ছিলেন বাংলাদেশি। বাকিরা চীন, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, ভারত, কানাডা ও ফ্রান্সের নাগরিক।

এভিয়েশন সেইফটি নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজে আগুন না ধরলেও ফিউজিলাজ ভেঙে তিন টুকরো হয়েছে। ফরোয়ার্ড প্যাসেঞ্জার ডোরের পেছনে এবং রিয়ার সার্ভিস ডোরের ঠিক পেছনে কাঠামো ভেঙে গেছে। উড়োজাহাজের তলাও ফেটে গেছে। ডান পাশের ডানাও জোড়া থেকে ভেঙে গেছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করছে।

সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী সাংবাদিকদের বলেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়েছিল। তারপরও তদন্ত কমিটি হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বলতে পারব কেন ঘটনাটা ঘটেছে।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম