আরও তিন সন্তানকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন ম্যারাডোনা

প্রকাশিত: ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০১৯

আরও তিন সন্তানকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন ম্যারাডোনা

সোনালী সিলেট ডেস্ক ::: সম্প্রতি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা ঘোষণা দিলেন, কিউবায় তার আরও তিনটি সন্তান রয়েছে!

ম্যারাডোনার মেজো মেয়ে জিয়ান্নিনা ম্যারাডোনা ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে লিখেন, ‘আর মাত্র তিন সন্তান দরকার আস্ত একটা ফুটবল একাদশ গঠন করার জন্য। অবশ্যই তুমি পারবে!’

ম্যারাডোনার আইনজীবী ঘোষণা দিয়েছেন, আরও তিনজন সন্তান আছে তার, কিউবায়। এত দিন পরে ম্যারাডোনা যাদের পিতৃত্ব দিতে প্রস্তুত!

এক সময় ম্যারাডোনা ঘোষণা দিয়েছিলেন, স্ত্রী ক্লদিয়া ভিয়াফানের গর্ভজাত সন্তান ছাড়া আর কাউকে নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন না। ক্লদিয়ার সংসারে ম্যারাডোনার দুই সন্তান, দুটিই মেয়ে—দালমা ও জিয়ান্নিনা। ২০০৩ সালে ক্লদিয়ার সঙ্গে বিশ বছরের দাম্পত্যজীবনের অবসান ঘটে।

এরপর দুই নারীর সঙ্গে দীর্ঘ মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে অবশেষে স্বীকৃতি দেন ছেলে ডিয়েগো সিনাগ্রা (ডিয়েগো জুনিয়র) ও ইয়ানা নামের ২০ বছর বয়সী আরেক মেয়েকে।

সর্বশেষ স্বীকৃতি দিয়েছিলেন বান্ধবী ভেরোনিকা ওজেদার শিশুসন্তান ডিয়েগো ফার্নান্দোকে। ফলে সব মিলিয়ে ম্যারাডোনার সন্তানসংখ্যা দাঁড়িয়েছিল পাঁচে।

কিন্তু এবার ম্যারাডোনার আইনজীবী যে বোমা ফাটালেন, তাতে ম্যারাডোনার সন্তানসংখ্যা আর পাঁচেই আটকে থাকছে না। ২০০০ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে কোকেনের আসক্তি থেকে পুনর্বাসনের জন্য কিউবার রাজধানী হাভানাতে অনেকবার গিয়েছিলেন তিনি। বন্ধুত্ব পাতিয়েছিলেন কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে।

তখনই কিউবার দুই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জড়িয়ে পড়েন ফুটবল-কিংবদন্তি। এই দুই নারীর গর্ভে জন্মানো তিন সন্তানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এখন প্রস্তুত ম্যারাডোনা, ‘কিউবায় ম্যারাডোনার তিনজন সন্তান আছে। তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, আমরা ব্যাপারটা দেখছি। ডিয়েগো আনন্দের সঙ্গে তাদের দায়ভার গ্রহণ করতে প্রস্তুত।’

এ নিয়ে স্ত্রী ক্লদিয়া ভিয়াফানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১৬ বছরে ছয় সন্তানের পরিচয় প্রকাশিত হলো ম্যারাডোনার। এই হারে হতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যে আসলেই একটা ফুটবল দল গঠন করে ফেলতে পারবেন তিনি, যেমনটা তার মেজো মেয়ে মনে করেন।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •