কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রাতে নিহত চার

প্রকাশিত: ৩:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০১৯

কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রাতে নিহত চার

সোনালী সিলেট ডেস্ক :::কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক স্থানে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রাতে চারজন মারা গেছেন। পুলিশ ও বিজিবির ভাষ্যমতে তারা মাদক চোরা কারবারের সঙ্গে জড়িত।

শুক্রবার (১ মার্চ) সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং ও সাবরাং এলাকায় এসব ‘বন্দুকযুদ্ধ’ সংঘটিত হয়। পৃথক এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহত চারজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

তারা হলেন, পৌর এলাকার চৌধুরীপাড়ার আবদুল জলিলের ছেলে নজির আহমদ (৩০) ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়ার হাজী মোহাম্মদ জাকারিয়ার ছেলে গিয়াস উদ্দিন (২৯)।

এ সময় পুলিশ-বিজিবির পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, এসআই সুজিত চন্দ্র দে, এএসআই খায়রুল, কনস্টেবল এরশাদুল ও হেলাল উদ্দিন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, শুক্রবার ভোররাত ৩টার দিকে টেকনাফ থানা পুলিশের হাতে আটক ডাকাত, ইয়াবা কারবারি ও নজির আহমদ (৩০) ও গিয়াস উদ্দিনকে (২৯) নিয়ে পুলিশের বিশেষ দল নাফ নদীর স্লুইস গেট এলাকায় অভিযানে গেলে তাদের অনুসারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে।

পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। গোলাগুলির সময় নজির ও গিয়াস গুলিবিদ্ধ হয়।

ঘটনাস্থল থেকে ছয় হাজার ইয়াবা, তিনটি দেশীয় অস্ত্র, নয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৩ রাউন্ড খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।

তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আছাদুদ জামান চৌধুরী জানান, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মগপাড়া কাঁকড়া প্রজেক্ট এলাকায় বিবিজবির একটি টহলদল গেলে ইয়াবা পাচারকারীরা টহলদলের ওপর অতর্কিত গুলি করতে থাকে এবং ধারাল অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে।

এতে বিজিবি টহলদলের এক সদস্য আহত হন। এ সময় বিজিবি আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। উভয় পক্ষের মধ্যে ৮-১০ মিনিট গোলাগুলি চলে। এরপর ইয়াবা পাচারকারীরা গুলি করতে করতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

তিনি জানান, পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পুরাতন মগপাড়া কাঁকড়া প্রজেক্টে সরু নালার পাশে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।

আহত বিজিবি সদস্যকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে বিজিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম