কোম্পানীগঞ্জের পল্লীতে প্রতিপক্ষের হামলায় স্কুলছাত্রসহ গুরুতর আহত ৪

প্রকাশিত: ১১:০৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২, ২০২০

কোম্পানীগঞ্জের পল্লীতে প্রতিপক্ষের হামলায় স্কুলছাত্রসহ গুরুতর আহত ৪

মো. মঈন উদ্দিন মিলন, কোম্পানীগঞ্জ থেকে
কোম্পানীগঞ্জের সীমান্ত এলাকা উৎমা বিজয়পাড়ুয়া গ্রামে বাড়ির সীমানা অবৈভাবে দখলে নিতে এক প্রবাসী পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে প্রতিবেশি আক্কাস গং। হামলায় নিরীহ প্রবাসীর মা, বাবা, স্কুল পড়ুয়া ভাইবোনসহ অন্তত ৪জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

আহতরা হলেন- খালেদা বেগম পাটোয়ারী, রিয়াজ উদ্দিন পাটোয়ারী, শফিক পাটোয়ারী ও রেখা বেগম পাটোয়ারী। তন্মধ্যে স্থানীয় হুমায়ুন রশীদ উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীও রয়েছে।

 

 

স্থানীয়রা জানান, গত ২৮ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবেশী আক্কাস, আজিম, কাদিরসহ ৮/১০ জন লোক সৌদিআরব প্রবাসী রাগীব আলীর সীমানায় বৃক্ষরোপণ করতে থাকে। তখন রাগীব আলীর বাবা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দয়াকরে সীমানা দেখে গাছ লাগানোর অনুরোধ জানিয়ে ঘরে ফিরেন। এর ঠিক কিছুক্ষণ পরই আক্কাস, কাদির, বিলাল, আজিমসহ ১০/১২ জন লোক দেশীয় অস্ত্রসহ ওই প্রবাসীর বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের এলোপাতাড়ি হামলায় রমদার আঘাতে পরিবারের স্কুলপড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীসহ অন্তত ৪জন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

 

 

প্রবাসীর ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, আক্কাস বাহিনী সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আমাদের সীমানার অবৈধ দখল নিতে হামলা চালিয়েছে। শুধুমাত্র ‘সীমানা দেখে গাছ লাগান’ এই কথার উপর কেউ এমন ন্যাক্কারজনক হামলা করতে পারে না। আমাদের পরিবারের চারজন গুরুতর আহত অবস্থায় স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি ন্যায় বিচার পেতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় আক্কাস আলী, আজিম উদ্দিন, বিলাল মিয়া ও কাদির মিয়াসহ অন্তত ৮জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য না করে আজ (০২ আগস্ট) তদন্ত করতে এসেছেন। এদিকে প্রতিপক্ষরা আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার হুমকি দিচ্ছে। থানা পুলিশ দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রæত ব্যবস্থা নিতে তিনি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।

 

এ বিষয়ে জানার জন্য আক্কাস আলীর মোবাইলে নাম্বারে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

 

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নবী হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষই এজাহার দায়ের করেছেন। বর্তমানে তা তদন্তনাধীন আছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি কে. এম নজরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম