চাকুরী বহালের দাবি
ওসমানী মেডিক্যালের আউটসোর্সিং কর্মচারীদের অনশন

প্রকাশিত: ৫:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০২০

<span style='color:#C90D0D;font-size:19px;'>চাকুরী বহালের দাবি</span> <br/> ওসমানী মেডিক্যালের আউটসোর্সিং কর্মচারীদের অনশন

সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে অনশন কর্মসূচিতে এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মচারীরা


সোনালী সিলেট ডেস্ক
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োজিত ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের চাকুরী বহালের দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

 

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১০ থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তারা ৪ দফা দাবিতে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে এ অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

তাদের ৪ দফা দাবির মধ্যে আছে, আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োজিত ৮২ জন কর্মচারীদের চাকুরি বহাল রাখা, চাকুরি রাজস্বখাতে স্থায়ীকরণ ও জাতীয়করণ করা, করোনায় ঝুঁকি ভাতা প্রদান করা এবং করোনায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা।

 

অনশন কর্মসূচিতে চম্পক দাসের সভাপতিত্বে ও শহীদুল ইসলামের পরিচালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সিলেট জেলা সমন্বয়ক ও বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা আহবায়ক উজ্জ্বল রায়, বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম নেতা ও বাসদ জেলা সমন্বয়ক আবু জাফর, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সদস্য হুমায়ুন রশীদ সোয়েব, বাসদ জেলা সদস্য প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের আহবায়ক মোখলেছুর রহমান, ছাত্র ইউনিয়নের জেলা সাধারণ সম্পাদক নাবিল এইচ, ছাত্র ফ্রন্ট নগর সভাপতি সঞ্জয় কান্তি দাস।

 

আন্দোলনকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফারজানা ইসলাম, সুজন মিয়া, সুমন দাস, ওয়াসিম খান, মাসকুদা আক্তার, উষা রানী দাশ প্রমুখ।

 

অনশন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ২০১৮ সালে কৃষ্ণা সিকিউরিটির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৮২ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তারা যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত বর্তমান মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) আইসোলেশন সেন্টার (সিলেট শহীদ সামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল) সহ ওসমানী মেডিকেলের ইনডোর, আউটডোর বিভাগ ও অফিসে এই দুর্যোগময় পরিস্থিতির সময়ও দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

 

ইতোপূর্বে হাসপাতালের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা কয়েকজন কোভিড-১৯ এ আক্রান্তও হয়েছেন। বর্তমানে প্রায় ১০ জন উপসর্গ নিয়ে নিজ বাসায় হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে যখন তারা রাতদিন কাজ করেছেন, ঠিক তখনই কোন নোটিশ ছাড়া তাদেরকে হাসপাতাল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। গত ১ জুলাই থেকে ওই ৮২ জনকে ডিউটিতে না যাওয়ার জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশ প্রদান করা হয়।

 

বক্তারা আরও বলেন, হাসপাতালের কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কতিপয় সিকিউরিটি কোম্পানির কাছ থেকে অবৈধভাবে অধিক মুনাফা লাভের আশায় নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জরুরিভাবে জনবল নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা করছে।

 

আন্দোলনকারীরা বলেন, অবিলম্বে তাদের চাকুরিতে বহাল না করলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিবেন। তাদের অনশন কর্মসূচি আগামীকালও চলবে।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম