সিলেটে আরও ১২৭ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত: ১১:৪৫ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০

সিলেটে আরও ১২৭ জনের করোনা শনাক্ত

সোনালী সিলেট ডেস্ক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সিলেট বিভাগে নতুন করে আরও ১২৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ৬৫ জন, সুনামগঞ্জের ২৮ জন, হবিগঞ্জে ২৬ জন আর মৌলভীবাজারে ৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এই সময়ে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।

 

শনিবার (২০ জুন) গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদন তৈরি করে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য)’র কার্যালয়।

 

কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সর্বশেষ শনিবার ( ২০ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন ২৯৮৬ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৬৮৮, সুনামগঞ্জে ৭৮৫, হবিগঞ্জে ২৭৬ এবং মৌলভীবাজারে ২৩৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন সিলেট জেলায় ৬৪, সুনামগঞ্জে ৯৮, হবিগঞ্জে ৩৪ এবং মৌলভীবাজারে ৩ জন।

 

কিন্তু সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে নতুন আরও ৩২ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

 

তিনি বলেন, আজ শনিবার সিলেটের কিছু প্রশাসনিক লোকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাকি সবাই ছিলেন হবিগঞ্জের। তাদের মধ্যে ৩২ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়।

 

এনিয়ে সিলেট বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০১৮ জনে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৭০৫ জন, সুনামগঞ্জে ৭৮৫, হবিগঞ্জে ২৯১ এবং মৌলভীবাজারে ২৩৭ জন।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিলেট বিভাগে প্রতিদিনই বাড়ছে সুস্থ রোগী সংখ্যা। গত ২৭ এপ্রিল বিভাগে প্রথম সুনামগঞ্জে দুই রোগী করোনাভাইরাস জয় করে বাড়ি ফেরেন। এরপর প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলার রোগীরা করোনা জয় করে বাড়ি ফিরছেন। শনিবার সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসকে জয় করে বাড়ি ফিরেছেন ৬৫৮ জন রোগী। এরমধ্যে সিলেট জেলায় ২৩৯, সুনামগঞ্জে ১৭৫, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ৮৬ জন রোগী করোনা জয় করে বাড়ি ফিরেছেন।

 

আর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মারা গেছেন ৫৬ জন। এরমধ্যে সিলেটে ৪৪, মৌলভীবাজারে চারজন, সুনামগঞ্জে চারজন এবং হবিগঞ্জে চারজন।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
0Shares
সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •